মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ৬ ঘণ্টা টোল ছাড়াই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার কালকিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, দুই নার্সকে বদলির নির্দেশ শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি চিফ প্রসিকিউটরের আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় দিনব্যাপী এআই বিজনেস সামিট: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরাতে কমনওয়েলথের সমর্থন কামনা ঢাকার সংসদে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান চিংড়ি ঘের নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ: ভূমিমন্ত্রী

শেখ হাসিনার অর্থপাচারকাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন যারা

শেখ হাসিনার অর্থপাচারকাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন যারা

এবার ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগে শেখ হাসিনার সঙ্গে সঙ্গে ফেঁসে যাচ্ছেন বোন শেখ রেহানা ও রেহানার মেয়ে টিউলিপ। গ্লোবাল ডিফেন্স করপোরেশন নামে একটি পোর্টালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি আত্মসাৎ করেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তারা জানান, মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে তাকে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন (রোসাটম)। যাতে মধ্যস্থতা করেন ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক। 

দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের পর ২০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ডিফেন্স করপোরেশন নামে একটি পোর্টাল। 

প্রতিবেদন এতে বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয়, ১ হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার এক ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় রোসাটম। 

নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েক সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী হয়েছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। 

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সেই সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি।

২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। 

যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের অভিযোগ, এই কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশে অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন শেখ হাসিনা।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামে পোর্টালটি চালু হয় ২০১৮ সালে। বিভিন্ন দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে দুর্নীতির অনুসন্ধান করে থাকে তারা। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সামরিক শক্তির বিস্তার রোধে, পশ্চিমা ঢাল হয়ে কাজ করে এটি।