বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব এবং সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর হচ্ছে ডিসেম্বরে প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা, দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য ১,৭৫২ মিলিয়ন ঘনফুট আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক সম্মেলন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে চীনের অঙ্গীকার: লিউ ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পপর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা: মাহদী আমিন আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সিউলে বিএনপি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, বেড়েছে প্রবৃদ্ধি

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, বেড়েছে প্রবৃদ্ধি

চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ছয় মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তিন হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৭৫৪ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয়েছে ৮.৫৫ শতাংশ। আর গত বছর একই সময় আয় হয়েছে দুই হাজার ৭৩১ কোটি ডলার।

মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা যায়, একক মাস হিসাবে ডিসেম্বর মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সঙ্গে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধিও কমেছে। ডিসেম্বরে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫৬২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫৩০ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ৫.৭৫ শতাংশ। আর গত বছর একই সময় আয় হয়েছে ৫৩৬ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১.০৬ শতাংশ।

ইপিবির তথ্যমতে, জুলাই-ডিসেম্বর মাসে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল দুই হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৩৩৯ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ৭.৮৭ শতাংশ। একইভাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬৫ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫২ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ২০.২৩ শতাংশ। এ ছাড়া উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় দুই হাজার ৯৪২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে দুই হাজার ৬৮০ কোটি ডলার। আয় কমেছে ৮.৮৯ শতাংশ। আর গত বছরের একই সময় আয় হয়েছে দুই হাজার ৬৫৬ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ।

পাশাপাশি প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ১১ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ১২.৬৮ শতাংশ। পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৫ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৫০ কোটি ডলার। আয় বেশি হয়েছে ১১.৯০ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৯ কোটি ডলার। আয় হয় ৪৩ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কম হয়েছে ১১.৯৭ শতাংশ। পাশাপাশি গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয় ৪৮ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে ১০.২৪ শতাংশ।