বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ৪ দিন ধরে বন্ধ, আসেননি ভারতীয় প্রকৌশলীরা মক্কা নগরীতে ড্রোন হামলার খবরে বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগে সরকার কাজ করছে: বিমানমন্ত্রী পুলিশ ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত: ডিএমপি কমিশনার ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের প্রাণহানি অপরাধের ধরন বদলালে আইনও পরিবর্তন করা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬০ পৌরসভার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান সফরে সেনাবাহিনী প্রধান টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে, চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

পাপন মন্ত্রী হলে, বিসিবি সভাপতি কে?

পাপন মন্ত্রী হলে, বিসিবি সভাপতি কে?

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। বুধবার রাতে তিনি জানান, এবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য ২৫ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১১ জনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নতুন এই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেবেন।

ঘোষিত মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের নাম। পাপন মন্ত্রী হলে বিসিবি সভাপতি পদে থাকতে পারবেন কিনা এমন গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

যদিও মন্ত্রিত্বের সঙ্গে বোর্ড সভাপতি থাকার বিষয়টি সাংঘর্ষিক নয়। ক্রিকেট বোর্ডে তিনি চার বছরের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিসিবি সভাপতি পদে মেয়াদ রয়েছে তার।

ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রীড়া আইনে মন্ত্রিত্ব পেলে কোনো ফেডারেশনের সভাপতিত্ব করা যাবে না- এমন কোনো নিয়ম নেই। ২০১৩ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে আছেন পাপন।

এর আগে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সরকার কর্তৃক মনোনীত ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারের অনেক মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতির তালিকায় থাকা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, আবু সালেহ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও সাবের হোসেন চৌধুরী মন্ত্রিত্ব এবং বোর্ড সভাপতি উভয় পদেই একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ১৯৮৭-৯০ সাল পর্যন্ত বিসিবির সভাপতি ছিলেন। ওই সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। বোর্ড সভাপতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী উভয় পদে আনিস মাহমুদের উত্তরসূরি আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত বিসিবির সভাপতি ছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন।

নব্বইয়ের দশকে বিসিবি সভাপতিদের মধ্যে কয়েকজন মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে কোনো মন্ত্রী বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেননি। আ হ ম মোস্তফা কামাল বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব ছাড়ার পর মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন।

বর্তমানে ক্রিকেটে জনসম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক ব্যাপ্তি অনেক বেশি। তাই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ক্রিকেট বোর্ড সামলানোটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে পাপনের জন্য।