বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা: নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ায় ২২ জনের প্রাণহানি থাইল্যান্ডে, আহত ৩০ পঞ্চগড়ে আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অভ্যুত্থানের পর পেঁয়াজ-রসুনসহ ২০টি দাম কমেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ জারি করল এনবিআর উচ্চশিক্ষা বিষয়ে ৩ দিনের দক্ষিণ এশীয় সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা শরীয়াভিত্তিক ঋণে যুক্ত হচ্ছে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক: আসিফ নজরুল গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে দেশব্যাপী কর্মসূচি আসন্ন নির্বাচনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান: আনসার সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

মৃত জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড দিল পাকিস্তান

মৃত জেনারেলের  মৃত্যুদণ্ড দিল পাকিস্তান

পাকিস্তানের মৃত্যুর স্বৈরশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন দেশটির বিশেষ আদালত। পরে লাহোর হাইকোর্ট বিশেষ আদালতের সেই রায়কে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা দেয়। কিন্তু দেশটির সুপ্রিমকোর্ট বুধবার সেই মামলায় পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড বহাল করেছে।

বুধবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ২০০১ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের সংবিধান স্থগিত করে জরুরি অবস্থা জারির অভিযোগে ২০১৯ সালে পাকিস্তানের একটি বিশেষ আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে ২০২০ সালে লাহোর হাইকোর্ট সেই মৃত্যুদণ্ডকে রদ করে বিশেষ আদালতের রায়কে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা দেয়।

পারভেজ মোশাররফ ২০১৬ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের বাইরে স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। ফলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। পাকিস্তানের বিচার বিভাগ কিংবা পার্লামেন্ট কেউ-ই এই মৃত্যুদণ্ড বাস্তবায়নে খুব বেশি উদ্যোগী হয়নি। সেই জায়গা থেকে অবশেষে পাকিস্তানের এই প্রয়াত স্বৈরশাসকের মৃত্যুর পর তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখল। একপ্রকার যেন তার মরণোত্তর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো।

পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈশা তার রায়ে বলেন, ‘লাহোর হাইকোর্ট ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি যে রায় দিয়েছিলেন তা অপ্রীতিকর (...) টেকসই নয় এবং সে কারণেই সেই রায় বাতিল করা হয়েছে।’ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। মূলত লাহোর হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা এক আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেন।