শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

রাষ্ট্রপতির দেশকে এগিয়ে নিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

রাষ্ট্রপতির দেশকে এগিয়ে নিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দেশকে এগিয়ে নিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মত বিনিময়ের আগে এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সকল ধর্মের মূল বাণী হচ্ছে মানব কল্যাণ। আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে সবাই একই সূত্রে গাঁথা। এখানে মেজরিটি  বা মাইনরিটির কোনো স্থান নেই। সবাই এক এবং অভিন্ন সত্ত্বা। ধর্মীয় মূল্যবোধকে দেশ ও জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।’

রাষ্ট্রপ্রধান বিশ্বাস করেন, আবহমান বাঙালি সংস্কৃতিতে বিদ্যমান অসাম্প্রদায়িক চেতনা, পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি একটি সুন্দর আগামী ও আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর অবদান রাখবে।

তিনি বলেন, ‘সমগ্র বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ পরিস্থিতির কারণে মানবতা আজ বিপর্যস্ত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদ পুরো বিশ্ব অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। এছাড়া দেশের বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে।’

পরোপকারের মহান ব্রত নিয়েই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের এ সংকটকালে  সহায়-সম্বলহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

তিনি  বলেন, ‘বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পরমত সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস আর সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।’

১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করবে- এটাই সকলের প্রত্যাশা।’