শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন শিশুদের প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাতের আকাশ আলোকিত করতে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না বসানোর পরিকল্পনা পোশাকশিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সব সময় আন্তরিক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে হার্ট সার্জারি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর একমাত্র পথ প্রত্যর্পণ, ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দিলেন সেনাপ্রধান ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রিজভীর মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনের আহ্বান

ড. ইউনূসের সঙ্গে শহিদ আবু সাঈদের দুই সহোদরের সাক্ষাৎ

ড. ইউনূসের সঙ্গে শহিদ আবু সাঈদের দুই সহোদরের সাক্ষাৎ

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের দুই ভাই বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

শহিদ আবু সাঈদের দুই ভাই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসকে তাদের পিতামাতার 'সালাম'এবং শুভকামনা পৌঁছে দেন।

তারা জানান, গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অধ্যাপক ইউনূস  যখন তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে আবু সাঈদ ও ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের অন্য শহিদদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেন তখন শহিদ আবু সাঈদের বাবা-মাসহ তারা সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী অধ্যাপক ইউনুসকে বলেন, 'আপনি প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার একদিন পর রংপরে আমাদের গ্রামে গিয়ে আমাদের সাথে দেখা করেছেন এবং আপনি জাতিসংঘে তাবু সাঈদসহ বিপ্লবের শহিদদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেছেন এজন্য আমরা অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করেছি।

প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড স্যালুট দেয়। এসময় দুই ভাই অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে একই মঞ্চে ছিলেন।

শহিদ আবু সাঈদের অপর ভাই আবু হোসেন বলেন, 'প্রধান উপদেষ্টার সাথে যখন আমরা মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলাম এবং সৈন্যরা আমাদেরকে স্যালুট দিয়ে সম্মান জানায় তখন আমাদের কেমন লেগেছিল তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।'

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে তারা আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করে বলেন, তারা হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

দুই ভাই তাদের শহিদ ভাইয়ের নামে একটি ফাউন্ডেশন গঠন করবেন উল্লেখ করে বলেন, তারা তাদের শহিদ ভাইয়ের স্মরণে তাদের গ্রামে একটি 'মডেল মসজিদ' এবং একটি মেডিকেল কলেজ প্রত্ষ্ঠিা করতে চান এবং তারা এ বিষয়ে সহায়তার জন্য দুটি মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছেন।