বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
গুলশান-ধানমণ্ডি-নিকেতন লেক রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্যান্সার হাসপাতালে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ২০০ শয্যা নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে এজেন্টের ব্যাংক হিসাবও উল্লেখ বাধ্যতামূলক ১১ দলের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ রাখতে বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান গোলাম পরওয়ারের বাংলাদেশিদের যাতায়াতে ঢাকা-মালদ্বীপ রুটে সপ্তাহে ৭ ফ্লাইট ভর্তুকির পণ্য বিতরণে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বাড়াতে ডিজিটাল হচ্ছে টিসিবি গেজেট জারির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, অপেক্ষায় নবম পে স্কেল আগামী ৬ জুনের আগে ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ৪ দিন ধরে বন্ধ, আসেননি ভারতীয় প্রকৌশলীরা মক্কা নগরীতে ড্রোন হামলার খবরে বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

শরীয়তপুরের ডামুড্যাতে ফিরোজা বেগম নামের এক নারীকে দল বেধে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এ রায় দেন। 

শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সানাল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিতর হলেন- নিজাম বালী (৪৫), মোহাম্মদ আলী (৩৫), ওমর ফারুক বেপারী (২৪), আল আমীন বেপারী (২০) ও ইব্রাহীম মোল্লা (২১)। আসামিরা সবাই ডামুড্যা উপজেলার দক্ষিণ শীতলকাঠী এলাকার বাসিন্দা।

রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল বিকাল ৫টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের ভূঁইয়া বাজার এলাকার ৫৫ বছর বয়সি ফিরোজা বেগম। ২১ এপ্রিল বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের বড় নওগাঁ এলাকার আব্দুর রহমান মাস্টারের বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনার পরদিন ওই নারীর ছোট ভাই লাল মিয়া সরদার বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২ থেকে ৩ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে শরীয়তপুর আদালতে হত্যা মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে পাঁচজন জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করে পুলিশ। বাকি আসামিদের চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পরে ২৮ এপ্রিল ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিজাম বালীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তারা ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা আদালতের কাছে স্বীকার করেন।