মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখার নির্দেশ পুলিশকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন: ডা. জুবাইদা রহমান হাইওয়ের উপরে ও পাশে গরুর হাট নিষিদ্ধ: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে রাসিকের শতভাগ সাফল্য পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৮০ হাজার আইনজীবীকে: আইনমন্ত্রী জনগণের বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী নৌপথ সচল রাখায় ১৬ সংস্থা কাজ করছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী

চালকল মালিকদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

চালকল মালিকদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বৈঠক

বেড়েই চলেছে চালের দাম। ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রকার ভেদে কেজিতে চালের দাম ২ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে। বস্তাপ্রতি বেড়েছে ৮০ থেকে ৩০০ টাকা। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে এবং আগামী সপ্তাহে করপোরেট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হবে। উদ্দেশ্য চালের উচ্চমূল্যের কারণ বা রহস্য উদ্ঘাটন এবং দাম নিয়ন্ত্রণে আনা।

খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘চালের দাম বাড়ার কারণ অনুসন্ধান করছি। বুধবার (আজ) চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করব। বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে বসব। তারপর বড় বড় চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে বসব। কারণ অনুসন্ধানের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ অবৈধভাবে মজুত করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। কারও বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

অবৈধ মজুতদারদের নতুন আইনে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে কিনাÑএমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘নতুন আইনে শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ আইনের বিধিমালা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিধিমালা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত হয়ে এলেই বিধিমালা জারি করা হবে। তারপরও বিদ্যমান আইনে কঠোর শাস্তি প্রদানের সুযোগ রয়েছে।’

এদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চালের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় ঢাকা মহানগরের চলমান ওএমএস কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা আনয়ন ও বাজার তদারকি করতে আকস্মিক পরিদর্শনের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও উপপরিচালকদের সমন্বয়ে ৪টি ভিজিলেন্স টিম গঠন করে এক আদেশ জারি করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। 

দেশের মানুষকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীসহ সব সিটি করপোরেশন এবং বিভাগীয় ও জেলা শহরে ওএমএস কার্যক্রমে চাল ও আটা বিক্রয় কার্যক্রম চলমান আছে। খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, টিমের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে প্রতিদিন একটি টিম নির্ধারিত দিবসে অতিরিক্ত মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ মোতাবেক কমপক্ষে ৪টি ওএমএস বিক্রয়কেন্দ্র (দোকান ও ট্রাকসহ) এবং ২টি বাজার পরিদর্শন করবে।