শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চমবারের মতো সিনেটর হলেন বাংলাদেশের শেখ রহমান ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিপি নাশরা সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ঘুষ-হয়রানি কমলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব’ ‘তিনি আমার স্ত্রী নন’, এনসিপিতে যোগদানের খবর নিয়ে রনির দাবি এমপি আমির হামজাকে ঘিরে ভিডিও-অডিও থাকার দাবি রাশেদ খানের

ট্রাইব্যুনালে পুলিশ কনস্টেবল সুজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ট্রাইব্যুনালে পুলিশ কনস্টেবল সুজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর চানখারপুলে গুলি করে কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগে গণহত্যার ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ কনস্টেবল সুজন হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এই আদেশ দেন। সেই সাথে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে আজ প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ। এসময় ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান তরফদার ও মনোয়ার হোসেন তামিম উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সুজনকে ১২ জানুয়ারি হাজিরের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী আজ সকালে সুজনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন ভবনের হাজত খানায় আনা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গত ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় মানুষকে নিশানা করে গুলি করছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের সদস্য মো. সুজন হোসেন। পরবর্তীতে সুজন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান হয়।

গত জুলাই-আগস্টে গড়ে ওঠা ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে। জাজ্জ্বল্যমান এ অপরাধের বিচার অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।