শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
আদিবাসী সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের গল্প টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, প্রাণ গেল সেনাসদস্যের এক দিন পরই কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ছাড় ২৭৪১ টাকা নিখোঁজের দুই দিন পর বাগানের ডোবায় মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চমবারের মতো সিনেটর হলেন বাংলাদেশের শেখ রহমান ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভিপি নাশরা সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ঘুষ-হয়রানি কমলে শ্রমিকদের ৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব’ ‘তিনি আমার স্ত্রী নন’, এনসিপিতে যোগদানের খবর নিয়ে রনির দাবি এমপি আমির হামজাকে ঘিরে ভিডিও-অডিও থাকার দাবি রাশেদ খানের

ঢাবিতে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাবেশ

ঢাবিতে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাবেশ

নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রোববার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই সমাবেশ করেন তারা।

একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। সেসময় তাদের ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা বলেন, 'ঢাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করছি। দ্বিতীয়ত এক দফা লাঞ্ছনার শিকার এই নারী শিক্ষার্থী যাদের দ্বারা অধিকতর বুলিং এবং সাইবার আক্রমণের শিকার হলেন, ধর্ষণ হত্যার হুমকি পেলেন তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তৃতীয়ত এই যে মত তৈরি করে নারীর অমর্যাদাকে বীরত্ব বলে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার দাবি করছি। চতুর্থত যৌন নির্যাতন এবং নৈতিক পুলিশের দায়ে অপরাধী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করে তাকে বরখাস্ত করার দাবি জানাচ্ছি।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা দেখেছি যে এর আগেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে সারা ক্যাম্পাসকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল প্রশাসন থেকে, যা নাগরিকের প্রতিবাদের মুখে তারা তুলে নিতে বাধ্য হন। কিন্তু আজ যখন নিজের প্রতিষ্ঠানেরই এক কর্মচারীর দ্বারা নিপীড়নের শিকার হন শিক্ষার্থী তখন প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিতে দেরি করে বা গড়িমসি করে তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। আশা করি প্রশাসন খতিয়ে দেখবে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব এলাকায় নিরসনযোগ্য একটি সমস্যাকে শাহবাগ থানায় পাঠিয়ে বাইরের লোকের কাছে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীর জীবন ঝুঁকিতে ফেলার কোনো বয়ান নির্মাণের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।'