মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা ঋণ পেতে আবেদন করতে পারবেন তরুণরা আগামী গ্রীষ্মে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী হ্যালোইনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সহিংসতা ও বন্দুক হামলায় প্রাণ গেল অন্তত ২৪ জনের ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৬ জনের, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১ হাজার ৯৭০ শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াতকর্মী মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঘিরে ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি পোশাকশিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের রক্তদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সরকারি যোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখতে এলজিইডি কর্মকর্তাদের সিম-হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখার নির্দেশ

ব্রিকসকে যে হুমকি দিলেন ট্রাম্প

ব্রিকসকে যে হুমকি দিলেন ট্রাম্প

আবারো ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, যদি এই দেশগুলো প্রকৃত অর্থে কোনো অর্থবহ জোট গঠন করে, তাহলে সেটি খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে। 

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৮ জুলাই) হোয়াইট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।  খবর রয়টার্সের। 

ট্রাম্প বলেন, ‘ছয়টি দেশের গোষ্ঠী ব্রিকসের কথা শুনে আমি তাদের খুব, খুব আঘাত করলাম। যদি তারা সত্যিকারের অর্থবহ কিছু গঠন করে, তবে সেটা খুব দ্রুতই শেষ হবে। আমরা কখনও কাউকে আমাদের সঙ্গে খেলা করতে দিতে পারি না।’

ট্রাম্প জানান, বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থান রক্ষা করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা (সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি) চালু করতে কখনোই দেবেন না।

ট্রাম্প ৬ জুলাই ঘোষণা করেন যে, নতুন শুল্ক সেইসব দেশের ওপর প্রযোজ্য হবে যারা ব্রিকস-এর তথাকথিত অ্যান্টি-আমেরিকান নীতির সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করছে।

এরইমধ্যে জি৭ (জি৭) ও জি২০ (জি২০)-র মতো বড় অর্থনীতির ফোরামগুলো বিভক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকা ফার্স্ট নীতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ব্রিকস নিজেকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির জন্য একটি বিকল্প প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করছে।

ট্রাম্প বারবার প্রমাণ ছাড়াই দাবি করে আসছেন যে, ব্রিকস গঠনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষতি করা। তবে ব্রিকস নেতারা এ অভিযোগ প্রত্যাখান করেছেন।