বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার ‘সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন’ সরকারের কাছে প্রায় ৪ লাখ ডোজ পোলিও টিকা দিয়েছে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রত্যন্ত অঞ্চল যুক্ত করতে সরকার কাজ করছে: ডেপুটি স্পিকার আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হচ্ছে ২৭তম বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে ইউনিসেফের মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ হাওরে ৮৪ শতাংশ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে: জাহেদ উর রহমান

জাবিতে প্রক্টর-প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি

ছাত্রলীগ নেতার ধর্ষণকাণ্ড


জাবিতে প্রক্টর-প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রক্টর অধ্যাপক ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীর। ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় চার দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে ‘নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। 

মানববন্ধন থেকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, অছাত্রদের হল থেকে দ্রুত বের করা, যৌন নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান জনিকে বহিষ্কার করার দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মনিকা ইয়াসমিন বলেন, আমরা দেখেছি ক্যাম্পাসে যত ধরনের অপকর্ম হয় তার পেছনে মদদদাতা একটি গোষ্ঠী আছে। যখন তাদের অপকর্ম সামনে আসে তখন ঐ বিশেষ গোষ্ঠী দাবি করে অপরাধীর কোনো দল নেই, অপরাধীর পরিচয় অপরাধী। আজকে আমরা এখানে শুধু এক মোস্তাফিজের শাস্তির জন্য আন্দোলন করছি না। আমরা মোস্তাফিজের মতো আরও যারা মুখোশধারী আছে, সবার মুখোশ উন্মোচন করতে চাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, আজ আমরা দলমত নির্বিশেষে সবাই এখানে দাঁড়িয়েছি। গোটা বাংলাদেশের জন্য এটা একটা উদাহরণ হয়ে থাকা উচিত। বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র নেই, শাসন নেই, অধিকার নেই। দোষ শুধু মোস্তাফিজ-মানিকদের নয়, দোষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরও, যারা এই সকল মোস্তাফিজ, মানিকদের ব্যবহার করে ভিসির চেয়ারে বসেন। আমি শাসক দলকে বলতে চাই আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে, কারণ আপনাদের ছাত্র সংগঠনের ছাতার নিচে ধর্ষকরা বেড়ে ওঠে।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের ৪৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. হাসিব জামানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক এএসএম আনোয়ারুল্লাহ ভুঁইয়া, অধ্যাপক রায়হান রাইন, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি, অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাফরুহী সাত্তার, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদা আকন্দ প্রমুখ।