বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার ‘সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন’ সরকারের কাছে প্রায় ৪ লাখ ডোজ পোলিও টিকা দিয়েছে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রত্যন্ত অঞ্চল যুক্ত করতে সরকার কাজ করছে: ডেপুটি স্পিকার আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হচ্ছে ২৭তম বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে ইউনিসেফের মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ হাওরে ৮৪ শতাংশ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে: জাহেদ উর রহমান

কোমরে দড়ি বেঁধে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রকে নেয়া হলো আদালতে!

কোমরে দড়ি বেঁধে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রকে নেয়া হলো আদালতে!

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রকে কোমরে দড়ি বেঁধে আদালতে নেওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এমন দৃশ্যে সমালোচনা করেছেন অনেকে।

কোমরে রশি বেঁধে আদালতে তোলা ছাত্রের নাম হামিম মো. ফাহিম (২৫)। তিনি চট্টগ্রামের সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির এলএলবির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি পেকুয়া চৌমুহনী এলাকায়। ফাহিম পেকুয়া সদরে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন।

ফাহিমের কয়েকজন বন্ধু বলেন, আদালতে করা একটি মারামারির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে নেওয়ার পথে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের মতো তাকে কোমরে বড় রশি বেঁধে আদালতে নেওয়া হয়। এতে ফাহিমের মতো হাজারো ছাত্র মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন।

পুলিশ ও ফাহিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মারামারি মামলায় পরোয়ানায় গত শনিবার রাতে ফাহিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত রবিবার পেকুয়া থানা-পুলিশের একটি দল কোমরে রশি বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে তাকে আদালতে হাজির করে। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ফাহিমের বাবা শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘গত ডিসেম্বরের শুরুতে আমার ছোট ছেলের সঙ্গে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ এসে আমার ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। পরে বড় ছেলে ফাহিম বাদী হয়ে মামলা করে। এরপর প্রতিপক্ষের লোক গোপনে আদালতে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মামলা করলে ওয়ারেন্ট হয়ে যায়। মামলা, পরোয়ানা—এসবের কিছুই আমরা জানতাম না।’

চকরিয়া অ্যাডভোকেটস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিফতাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম কথা হলো ফাহিম একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র। তার বিরুদ্ধে আগের কোনো মামলা নেই। একটি মারামারি মামলায় গ্রেফতার করে এভাবে কোমরে রশি বাঁধা বা ডান্ডাবেড়ি পরানো যায় না। একজন ছাত্রকে কোমরে রশি বাঁধা অমানবিক।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, নিরাপত্তা বলয়ে আসামিকে থানা থেকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এম এম রকীব উর রাজা বলেন, ঘটনাটি জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো এমন কেন হয়েছে।