সোমবার, মে ১১, ২০২৬
 শিরোনাম
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখার নির্দেশ পুলিশকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন: ডা. জুবাইদা রহমান হাইওয়ের উপরে ও পাশে গরুর হাট নিষিদ্ধ: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে রাসিকের শতভাগ সাফল্য পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৮০ হাজার আইনজীবীকে: আইনমন্ত্রী জনগণের বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী নৌপথ সচল রাখায় ১৬ সংস্থা কাজ করছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী

জাতিসংঘে সরকারের ভিশন বাংলাদেশের কূটনীতিকরা তুলে ধরছেন

জাতিসংঘে সরকারের ভিশন বাংলাদেশের কূটনীতিকরা তুলে ধরছেন

জাতিসংঘে বিশেষ করে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকরা, সক্রিয় বহুপক্ষীয় কূটনীতির মাধ্যমে নবনির্বাচিত সরকারের এজেন্ডা ও ভিশন তুলে ধরছেন।

জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় শক্তিশালী ও গতিশীল উপস্থিতি গড়ে তুলছেন। তারা প্রচলিত কূটনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সক্রিয় কূটনীতি’ হিসেবে বর্ণিত তাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গঠনের অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বহুপক্ষীয় কূটনীতি এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মূল্যবান ও নিরলস প্রচেষ্টাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। এই লক্ষ্য নিয়েই ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।’

শনিবার জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদিবস পালন উপলক্ষে এ মন্তব্য করা হয়। দিবসটি সংলাপ, সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় সমাধান এগিয়ে নিতে প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়।

বাংলাদেশ মিশনের মতে, প্রতিনিধিরা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বহুপক্ষীয়তার চেতনাকে ধারণ করেন। তারা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়নগত সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা হুমকিসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করেন।

তাদের বহুপক্ষীয় কূটনীতির মূলভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আলোচনা, সমঝোতা ও সমন্বিত কূটনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারাই জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তোলেন।

প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং জেনেভা, ভিয়েনা, নাইরোবি, রোম ও প্যারিসের কার্যালয়গুলোতে নিজ নিজ দেশের স্বার্থ তুলে ধরেন, মানবাধিকার ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেন, শান্তি রক্ষা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগে অংশ নেন।