বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬
 শিরোনাম
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার ‘সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন’ সরকারের কাছে প্রায় ৪ লাখ ডোজ পোলিও টিকা দিয়েছে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রত্যন্ত অঞ্চল যুক্ত করতে সরকার কাজ করছে: ডেপুটি স্পিকার আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হচ্ছে ২৭তম বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর দেশে টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে ইউনিসেফের মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ হাওরে ৮৪ শতাংশ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে: জাহেদ উর রহমান

মাতৃভাষা দিবসে চালু হলো একগুচ্ছ প্রযুক্তি সেবা

মাতৃভাষা দিবসে চালু হলো একগুচ্ছ প্রযুক্তি সেবা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ১টি বাংলা ফন্ট, বিটিসিএলের ২টি ইন্টারনেট সেবা প্যাকেজ ও টেলিটকের ই-সিম কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্রশাসনিক এলাকার আইসিটি টাওয়ারে নতুন এ প্রযুক্তি সেবাগুলো উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযাগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এগুলো হলো, বাংলা টেক্সট টু স্পিচ- উচ্চারণ; বাংলা স্পিচ টু টেক্সট- কথা; বাংলা ওসিআর-বর্ণ; বাংলা ফন্ট-পূর্ণ উদ্বোধন করেন। এছাড়া বিটিসিএল এর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট জিপন-এর ঘোষণা করা হয় ‘সুলভ’ ও ‘ভাষা’ নামের দুটি সাশ্রয়ী প্যাকেজ। এই প্যাকেজে গ্রাহককে বিনামূল্যে রাউটার দেবে সরকারি টেলিকম প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও টেলিটক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শক মামুন অর রশীদ।

অনুষ্ঠানে নিজেদের ভাষায় ভাষাকে ভালোবাসার কথা শোনায় দেশের ৪০টি নৃ-গোষ্ঠী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শোকের সঙ্গে একুশ আমাদের গর্ভের। একুশের চেতনায় ডাক ও তথ্য প্রযুক্তি একসঙ্গে করে অন্তর্ভুক্তি ও সমন্বিত পদক্ষেপের নতুন একটি ভিত্তি রচনা করলাম। দেশের গবেষক ও উদ্ভাবকরাই এসব প্রযুক্তি সেবা তৈরি করেছেন। তারা ১৬ ধরনের কম্পোনেন্ট ও ৪০ ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করেছেন নিজেদের নকশায়। এটাই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ-এর স্বাক্ষর।

তিনি বলেন, নতুন সেবার মধ্যে গুগল জি-বোর্ডের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে এর অ্যাকিউরিসি রেট। উচ্চারণ, কথা, বর্ণমালা, পূর্ণ, অনুভব, ধ্বনি, গুরু সব কিছুই বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটা আগামী দিনের সার্চ ইঞ্জিন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মনির্ভরশীলতার সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ।