বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

চার দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে এলএনজি টার্মিনাল, কমবে দেশজুড়ে গ্যাসের সরবরাহ

চার দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে এলএনজি টার্মিনাল, কমবে দেশজুড়ে গ্যাসের সরবরাহ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দুটি ভাসমান টার্মিনালের মধ্যে একটিতে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকতে যাচ্ছে। এর ফলে সারা দেশে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। বর্তমানে পেট্রোবাংলার দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে দৈনিক ১০৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা থাকলেও নিয়মিত ৯২ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। তবে সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, যার বিপরীতে দেশীয় গ্যাস ক্ষেত্রগুলো থেকে আসে ১৬০ কোটি ঘনফুট এবং বাকিটা পূরণ হয় এলএনজি আমদানির মাধ্যমে। মহেশখালীর টার্মিনালে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের এই টার্মিনালে অনুরূপ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালিত হয়েছিল।