মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা ঋণ পেতে আবেদন করতে পারবেন তরুণরা আগামী গ্রীষ্মে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী হ্যালোইনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সহিংসতা ও বন্দুক হামলায় প্রাণ গেল অন্তত ২৪ জনের ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৬ জনের, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১ হাজার ৯৭০ শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াতকর্মী মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঘিরে ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি পোশাকশিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের রক্তদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সরকারি যোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখতে এলজিইডি কর্মকর্তাদের সিম-হোয়াটসঅ্যাপ চালু রাখার নির্দেশ

বাইডেন প্রশাসনে নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশি ওসমান

বাইডেন প্রশাসনে নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশি ওসমান

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডুকেশন বোর্ড (এনএসইবি) বা জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষা বোর্ডের সদস্য হিসেবে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এম ওসমান সিদ্দিক।

তিনি বিশিষ্ট বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাদশ উপাচার্য মরহুম অধ্যাপক ড. এম ওসমান গণির সন্তান এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী (বিএনপি আমলের) ড. ওসমান ফারুকের ভাই।

২২ মার্চ হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতি থেকে ওসমান সিদ্দিকের মনোনয়নের তথ্য জানা গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৪ সদস্যের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডুকেশন বোর্ড (এনএসইবি) ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডুকেশন প্রোগ্রামের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও তদারকি প্রদান করে থাকে। ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডুকেশন প্রোগ্রাম ডেভিড এল. বোরেন স্কলারশিপ ও ফেলোশিপসহ একাধিক ফেলোশিপ এবং পুরস্কার দিয়ে থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো বিদেশি সংস্কৃতি ও ভাষাকে কার্যকরভাবে বোঝার এবং যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানো।

এনএসইবি মূলত অলাভজনক সংস্থার বিশেষজ্ঞ ও একাডেমিয়া থেকে যারা জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষা কর্মসূচিতে মূল্যবান সহায়তা প্রদান করেন তারাসহ রাষ্ট্রপতির নিয়োগপ্রাপ্ত ছয় সদস্য নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী ওসমান সিদ্দিক হলেন প্রথম আমেরিকান মুসলমান ও বাংলাদেশি আমেরিকান যিনি ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ফিজি, নাউরু, টঙ্গা ও টুভ্যালুতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও চিফ অব মিশন ছিলেন।