সোমবার, মে ১১, ২০২৬
 শিরোনাম
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখার নির্দেশ পুলিশকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন: ডা. জুবাইদা রহমান হাইওয়ের উপরে ও পাশে গরুর হাট নিষিদ্ধ: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে রাসিকের শতভাগ সাফল্য পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৮০ হাজার আইনজীবীকে: আইনমন্ত্রী জনগণের বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী নৌপথ সচল রাখায় ১৬ সংস্থা কাজ করছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী

কোনো দোষ খুঁজে না পাওয়ায় ‘কাকা’কে তালাক দিলেন স্ত্রী

কোনো দোষ খুঁজে না পাওয়ায় ‘কাকা’কে তালাক দিলেন স্ত্রী

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা ছিলেন কাকা। ব্রাজিলের এই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার তার গতি, ড্রিবলিং ক্ষমতা এবং গোল করার দক্ষতার জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। ২০০২ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন কাকা। খেলেছেন ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপেও। 

২০০৫ সালে সাও পাওলোতে ছোটবেলার বন্ধু ক্যারোলিন সেলিকোকে বিয়ে করেছিলেন কাকা। ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলার বন্ধুকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পেয়েছিলেন কাকা। তার জীবনের সবকিছুই পারফেক্ট ছিল।

কিন্তু এই পারফেকশনের জন্যই নাকি ধীরে ধীরে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। আর তারপর বিবাহবিচ্ছেদ। ১০ বছর একসঙ্গে সংসার করার পর তারা বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন।

২০১৫ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করেছিলেন কাকা ও ক্যারোলিন সেলিকো। সম্প্রতি বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে মুখ খুলেছেন সেলিকো।

বিচ্ছেদের কারণ প্রসঙ্গে সেলিকো জানান, ‘কাকা কখনই আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি, তিনি আমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছেন। তিনি আমাকে একটি চমৎকার পরিবার দিয়েছেন। কিন্তু আমি খুশি ছিলাম না, কিছু অনুপস্থিত ছিল। সমস্যাটি ছিল, তিনি আমার জন্য খুব নিখুঁত ছিলেন।’

কাকা ও সেলিকো দুই জনেই ফের নতুন মানুষের সঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করেছেন। ২০১৯ সালে কাকা ব্রাজিলিয়ান মডেল ক্যারোলিনা ডায়াসের সঙ্গে এনগেডমেন্টের ঘোষণা করেন। অন্যদিকে ক্যারোলিন ২০২১ সালে এডুয়ার্ডো স্কারপা জুলিয়াওকে বিয়ে করেন।

কাকা তার কেরিয়ারে এসি মিলান এবং রিয়াল মাদ্রিদের মতো শীর্ষ ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জয়ী দলের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপেও খেলেছিলেন। ২০১৭ সালে অবসর নেন।