শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
২০২৭ সালে ঈদের ছুটি কত দিন, সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা পোশাক খাতে অস্থিরতার অভিযোগে ১০০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহসিফ হত্যা: ঘটনার রাতের বর্ণনা দিলেন রিমান্ডে থাকা দীপ এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে অসন্তোষ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে মধ্যরাতে সড়কে ছাত্রীরা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের কমিটি ভারতীয় ভিসায় নতুন শর্ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে অঙ্গীকারনামা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চার দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান

ভারতীয় পণ্য বর্জন করার কারণ জানালেন রিজভী

ভারতীয় পণ্য বর্জন করার কারণ জানালেন রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন,  ‘এই কারণে আমরা ভারতের পণ্য বর্জন করছি যে, তারা এই দেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে না। তাদের বন্ধুত্ব শুধু শেখ হাসিনার সঙ্গে।’

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ভুবন মোহন পার্কে ‘দেশীয় পণ্য কিনে হও ধন্য’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজস্থানের জয়পুর টেক্সটাইলের একটি বেডশিট ছুঁড়ে ফেলেন। এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা কেরোসিন ঢেলে বেডশিটটিতে আগুন জ্বালিয়ে দেন। 

এ সময় রিজভী ঘোষণা দেন, এখানে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা কিছু কাপড় এনেছেন। স্বল্পমূল্যে এগুলো বিক্রি করা হবে। এরপর সেসব কাপড় উপস্থিত নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে বিক্রি করেন রিজভী। সেখানে ২০০ টাকায় শাড়ি ও ১০০ টাকায় লুঙ্গি বিক্রি করা হয়।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই কারণে আমরা ভারতের পণ্য বর্জন করছি যে, তারা এই দেশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে না। তাদের বন্ধুত্ব শুধু শেখ হাসিনার সঙ্গে।’

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ২৭ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা। উৎপাদন করি ৩৭ লাখ টন। নানা কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয় এবং ভারত থেকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। আমাদের ব্যবস্থাপনা যদি ঠিক করা যায়, তাহলে কেউ পেঁয়াজ নেবে না।’

রিজভী বলেন, ‘ওরা মনে করেছে, আমরা ওদের ওপর নির্ভরশীল। ওদের ছাড়া আমাদের চলবে না। এখন দেখছে কলকাতা নিউমার্কেট বন্ধ, দোকানগুলো চলে না। আমরা আর কারও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চাই না। এটা আমরা ভারতকে জানিয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের টাঙ্গাইলের শাড়ি, কুমারখালির লুঙ্গি-গামছা সারা পৃথিবীতে এক্সপোর্ট হয়।  আমাদের জামদানি শাড়ি, তাঁতের শাড়ি, রাজশাহীর সিল্ক পৃথিবী বিখ্যাত। এখনও বিয়েশাদি হলে রাজশাহী সিল্ক পরিধান করি। তাহলে কেন এ দেশের নারীরা ভারতীয় শাড়ি কিনবে? কিনতে আপত্তি নেই। কিন্তু তারা যখন আমাদের উপহাস করে, তখন আমরা কেন কিনব? কেন আমরা মুখাপেক্ষী থাকব? আমরা মুখাপেক্ষী থাকব না।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা। এতে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার, মহানগরের সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসলাম সরকার, ওয়ালিউর রহমান রানাসহ নেতাকর্মীরা।