রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

জিআইসিসি সম্মেলনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করলেন সেতু বিভাগের সচিব

জিআইসিসি সম্মেলনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করলেন সেতু বিভাগের সচিব

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ওয়েস্টিন পারনাস হোটেলে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী (১৬-১৮ সেপ্টেম্বর) বৈশ্বিক অবকাঠামো সহযোগিতা সম্মেলন (জিআইসিসি)-২০২৫ এর আজ সমাপনী দিন।

বুধবার সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে জিআইসিসি-২০২৫ সম্মেলনের  চেয়ারম্যান হ্যান ম্যান হির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে পরিবহন  অবকাঠামো খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সেতু বিভাগের সচিবের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের পরিবহন অবকাঠামো খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, পরিবহন অবকাঠামো খাত সম্পৃক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার নেতৃস্থানীয় ১২টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে সেতু সচিবের একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জিআইসিসি-২০২৫ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা কোরিয়ার এসব প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে কাজ করার জন্য ব্যাপক আগ্রহ ব্যক্ত করেছে।

সচিব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোরিয়ান ইডিসিএফ/ইডিপিএফ  অর্থায়নের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

সম্মেলনের শেষ দিনে অর্থাৎ আজ অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিবর্গ কোরিয়ান পরিবহন অবকাঠামো খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিল্প-কারখানা পরিদর্শন করবেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে এবারের জিআইসিসি-২০২৫ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে।

সেতু বিভাগ আশা করছে, এ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেতু বিভাগের সচিবের সক্রিয় উপস্থিতি দেশের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টিসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।