সোমবার, মে ১১, ২০২৬
 শিরোনাম
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখার নির্দেশ পুলিশকে দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন: ডা. জুবাইদা রহমান হাইওয়ের উপরে ও পাশে গরুর হাট নিষিদ্ধ: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে রাসিকের শতভাগ সাফল্য পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৮০ হাজার আইনজীবীকে: আইনমন্ত্রী জনগণের বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী নৌপথ সচল রাখায় ১৬ সংস্থা কাজ করছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী

মিয়ানমারে তুমুল যুদ্ধ, কোণঠাসা জান্তা সেনা

মিয়ানমারে তুমুল যুদ্ধ, কোণঠাসা জান্তা সেনা

মিয়ানমারজুড়ে চলমান সংঘাতের গত তিন দিনে বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলোর কাছে কয়েকটি সেনা ঘাঁটি হারিয়েছে জান্তা। বিদ্রোহীদের হামলায় ৬২ জন সৈন্য নিহত হয়েছেন। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে থাইল্যান্ড-ভিত্তিক মিয়ানমারের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি।

দখল হওয়া ঘাঁটিগুলো মিয়ানমারের সাগাইং, ম্যাগউই, মান্দালয় জেলা এবং কাচীন ও কারেন প্রদেশে অবস্থিত। তবে জান্তা বাহিনীর কতগুলো ঘাঁটি বিদ্রোহীরা দখলে নিয়েছে সেবিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দেশটির জান্তাবিরোধী সশস্ত্র দুই বিদ্রোহীগোষ্ঠী পিপল’স ডেমোক্রেটিক ফোর্স (পিডিএফ) এবং এথনিক আর্মড অর্গানাইজেশন (ইআও) সংঘাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

জান্তার পক্ষ থেকে এখনও এ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে ইরাববি বলেছে, পিডিএফ ও ইআওর গণমাধ্যম শাখার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে এই সংবাদমাধ্যমটির।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী দুটির নেতারা জানিয়েছেন, গত বছর মিয়ানমারের সাগাইং, ম্যাগউই, মান্দালয় জেলা এবং কাচিন ও কারেন প্রদেশের কিছু এলাকা দখলে নেয় পিডিএফ এবং ইআও জোট। সেই এলাকাগুলো ফের দখল করার জন্য জানুয়ারির শেষদিকে অভিযান শুরু করেছিল জান্তা এবং তাদের সমর্থক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।

ওই অভিযানে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাত থেকে কিছু এলাকা পুনর্দখল করতেও সক্ষম হয়েছিল জান্তা এবং জান্তা সমর্থক একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। কিন্তু গত তিন দিনে জান্তার পুনর্দখল করা অধিকাংশ এলাকা থেকে সেনা সদস্য ও জান্তাপন্থিদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিডিএফ ও ইআওর নেতারা।

সবচেয়ে বেশি সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন মান্দালয় জেলার সান পিয়া এবং কারেন প্রদেশের থান্ডুয়াঙ্গি শহরে। পিডিএফ জানিয়েছে, এ দুই এলাকায় জান্তা-বিদ্রোহী সংঘাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন সেনা।

এছাড়া কারেন প্রদেশের একটি রত্নপাথরের পাথরের খনিও বর্তমানে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে চলে গেছে। মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গত ৫ দশকেরও বেশি সময় ধরে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলছে বিভিন্ন সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর। তবে এই লড়াই নতুন গতি পেয়েছে ২০২১ সালে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর থেকে।

২০২২ সালে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বেশিরভাগই সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টে (নাগ) যোগ দেন। তারপর থেকে মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে।