রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল: উপদেষ্টা আজম

মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল: উপদেষ্টা আজম

মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান ছিল গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এমন মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক।

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অপারেশন জ্যাকপটসহ বীর নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অভিযান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। কারণ, তাদের সামরিক ও কৌশলগত সফলতাকে ইতিহাসে গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ফারুক ই আজম বলেন, এই অভিযানের ফলে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানের সমুদ্র ও নদীপথে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এতে শত্রুপক্ষের যুদ্ধ পরিচালনায় গভীর প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগে অনুপ্রাণিত নৌ-কমান্ডোদের অবদান মুক্তিযুদ্ধের গতিপথ বদলে দিয়েছে এবং স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করেছে। তাদের সাহসিকতা আমাদের জাতিসত্তার জন্য এক উজ্জ্বল প্রতীক যা আজও বীরত্বের প্রেরণা হয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, একজন নৌ-কমান্ডো হিসেবে যুদ্ধ করেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি। একজন যোদ্ধা সবসময় যোদ্ধা—এই বিশ্বাসই আমাদের পথনির্দেশক। বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধে আমরা যে আদর্শের জন্য লড়াই করেছি, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্ব আজও অব্যাহত রয়েছে।

উপদেষ্টা মনে করিয়ে দেন, নৌ-কমান্ডোদের ত্যাগ ও গৌরবময় অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় থাকবে। এটি প্রজন্মকে দেশপ্রেম, সাহস ও দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান কবির, সহ-সভাপতি অনিল বরণ রায়সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নৌ-কমান্ডো একটি অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল নাম। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসিক অপারেশন দেখে শুধু বিস্মিত হয়নি, বরং ভয়ে তাদের অন্তরাত্মাও কেঁপে উঠেছিল।