রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পরিবারের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার অবরুদ্ধ করল সিআইডি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পরিবারের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার অবরুদ্ধ করল সিআইডি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার ভাই ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাড়ে চার কোটিরও বেশি শেয়ার অবরুদ্ধ করেছে সিআইডি।

জাবেদ ও তার ভাই ইউসিবি ব্যাংক পিএলসির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং রনির স্ত্রী মেঘনা ব্যাংক পিএলসির সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরীর নামে এসব শেয়ারের মালিকানা ছিল।

আজ (বুধবার) সিআইডির পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযুক্তরা অবৈধ অর্থ দিয়ে এসব শেয়ার কিনেছিলেন। 

এতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত ১৮ নভেম্বর সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটও এই অনুসন্ধান পরিচালনা করছে। অপরাধের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত অপর সদস্যদের শনাক্তকরণ ও অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য সিআইডির অনুসন্ধান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অভিযুক্তদের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যক্তিগত হিসাব ও তাদের কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ক্রয় করা হয়েছিল। এর তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পরে স্টক ডিভিডেন্ড যোগ হয়ে শেয়ার সংখ্যা বেড়ে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫-এ উন্নীত হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন।

অবৈধ অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল এবং তা পুনরায় দেশে এনে বৈধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে মোট ২ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৪৪ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়। এই টাকা অভিযুক্তদের সহযোগী আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবি ব্যাংক ও এনআরবিআইসি ব্যাংকের এফসি অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছিল।