রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

উচ্চশিক্ষায় বাংলার ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ নেবে সরকার: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

উচ্চশিক্ষায় বাংলার ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ নেবে সরকার: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ‘বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, আমাদের গল্পের ভাষা এবং উচ্চশিক্ষার ভাষা হিসেবে বাংলাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’

আজ শনিবার রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাইম ইউনিভার্সিটির ৩য় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না, উপযুক্ত দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা অর্জনই দেশের উন্নতির মূল চাবিকাঠি। আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা উচ্চশিক্ষা লাভ করছি, কিন্তু আমাদের কর্মক্ষেত্র নেই। আমরা উচ্চশিক্ষা লাভ করছি, কিন্তু উপযুক্ত দক্ষতা এবং উদ্যোগী হয়ে উঠছি না। এর ফলাফল হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে যে প্রভাব পড়ার কথা ছিল এবং যে উন্নতি হওয়ার কথা ছিল তা হচ্ছে না। কারণ এর মধ্যে মানবিক তৃপ্তির অভাব রয়েছে।

প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মানবিক সক্ষমতা ছাড়া পূর্ণতা পায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা টেকনিক্যালি যতই অগ্রগতি লাভ করি না, যদি ওই দিকে আমাদের উন্নতি না ঘটে তাহলে কখনোই আমরা আমাদের দেশকে অগ্রগতির পথে নিয়ে যেতে পারবো না।

দেশের উন্নয়নের মূল শক্তি হিসেবে জনশক্তিকে উল্লেখ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা দেশের উন্নতির জন্য অনেক রকম সম্পদ থাকে। আমাদের একটাই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রয়েছে—সেটা হচ্ছে জনশক্তি। কিন্তু সেই জনশক্তি সম্পদও হতে পারে, বোঝাও হতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কখন একজন জনশক্তি আমাদের সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়? যখন কোন জনশক্তি স্বাস্থ্যবান, শিক্ষিত, দক্ষ এবং সুশৃঙ্খল হয়। তা যদি না ঘটে, কোনো দেশ অগ্রগতির পথে এগোতে পারবে না।’

উপদেষ্টা গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমি আশা করি, আপনারা আপনাদের অর্জিত জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নৈতিক মূল্যবোধ দ্বারা সমাজ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন।’

সমাবর্তনের বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মীর শাহাবুদ্দিন।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন- প্রাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী দ্বীন মো. খসরু, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আনোয়ার কামাল পাশা, প্রফেসর ড. রকিবুল ইসলাম, প্রফেসর ড. আবদুর রহমান, প্রফেসর ড. রশিদুল হাসান ও প্রফেসর ড. নূর মোহাম্মদ।

সমাবর্তনে মোট ১ হাজার ৮৭০ জন গ্র্যাজুয়েট অংশগ্রহণ করেন।