রবিবার, জানুয়ারী ২৫, ২০২৬
 শিরোনাম
নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকদের শতভাগ আস্থা: সিইসি প্রচারণায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা: ইসি অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো বন্ধে কড়াকড়ির আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার নির্বাচন-পূর্ব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ’ গড়তে তারেক রহমানেরf অঙ্গীকার বিএনপি জনগণকে বিক্রি করে নিজের সম্পদ গড়ে না: মির্জা ফখরুল বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক নির্বাচন কমিশনের বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রাথমিক শিক্ষা পাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: তারেক রহমান দ্রুত পোস্টাল ভোট দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের আহ্বান বগুড়ায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানালেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্রে গড়ে তোলা হবে: শিক্ষা উপদেষ্টা

কোন কোন ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার

কোন কোন ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যেসব ক্ষেত্রে নির্বচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন এ সম্পর্কিত এক পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত পরিপত্রটি বৃহস্পতিবার জারি করা হয়। 

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে যদি কোন সময় ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত বা বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হয়, তা হলে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৫ এর বিধান (পরিশিষ্ট-ক) অনুসারে অনতিবিলম্বে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করিবেন। ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত কোন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রিজাইডিং অফিসারের হেফাজত হতে বেআইনীভাবে ও জোরপূর্বক অপসারণ করা হলে বা দুর্ঘটনাক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা হলে বা হারিয়ে গেলে বা এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত বা বিকৃত হলে বা এই পরিমাণ হস্তক্ষেপ করা হয় যে, সেই কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করবেন। সেক্ষেত্রে বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনা করা যাবে না। রিটার্নিং অফিসার অনতিবিলম্বে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের নিকট একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন এবং যথা শিগগির সম্ভব, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়ে নতুন ভাবে ভোটগ্রহণের জন্য একটি তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করবেন।’

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘যে ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ হবে সেই ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ব্যতীত যদি উক্ত নির্বাচনী এলাকার ফলাফল অবশিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ফলাফল দ্বারা নির্ধারিত না হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশন উক্ত ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করবেন। রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশক্রমে উক্ত ভোটকেন্দ্রে/ভোটকেন্দ্রসমূহে ভোটগ্রহণের জন্য একটি দিন ও সময় ধার্য করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রাধীন সকল ভোটার ভোট দিতে পারবেন।’

এ ছাড়া কতিপয় ক্ষেত্রে কমিশনের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা বিষয়ে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১ এর বিধান অনুসারে কমিশনের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, নির্বাচনে বল প্রয়োগ, ভীতি-প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষভাবে এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিতকরা সম্ভব নয় বা দ্বৈব দূর্বিপাকের কারণে উক্ত নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব হবে না, সেক্ষেত্রে যে কোন ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমত, সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোন পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন।’