রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত ৪১ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত ৪১ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত ৪১ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষকের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)- এর মাধ্যমে ২০২৫ সালে তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই তথ্য জরুরিভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি ‘তাগিদ পত্র’ আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হুরে জান্নাত স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব শিক্ষকের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল।

এতে বলা হয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে কতজন ইতোমধ্যে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন এবং কতজনের যোগদান পরবর্তী পদায়ন করা সম্ভব হয়নি, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

এছাড়াও যোগদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে কি না এবং কতজন শিক্ষক এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে মাউশি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতেই এই তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত নির্দেশনায় নির্দিষ্ট ছকে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এই ছকের মধ্যে রয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকের নাম ও নিবন্ধন নম্বর, সুপারিশকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, যোগদানের তারিখ, এমপিওভুক্ত না হয়ে থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও মন্তব্য।