শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নির্দেশ: রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং জনগণের জবাবদিহিতা

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নির্দেশ: রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং জনগণের জবাবদিহিতা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি বিধ্বস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে স্বচ্ছতা ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, আমরা যেহেতু জনগণের ট্যাক্সে চলি, সেহেতু প্রতিটি পয়সার হিসাব এবং কাজের স্বচ্ছতা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনা পেশ করেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও আস্থাহীন করে ফেলা হয়েছিল। কার্যকর প্রতিষ্ঠান ছাড়া একটি শক্তিশালী ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠন অসম্ভব। তাই আমাদের প্রধান কাজ হলো এসব প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় সচল করা এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা।’

প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ।’

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র—এই তিনটি স্তর একে অপরের পরিপূরক। আমরা যদি ভিন্নমত ভুলে একটি ‘টিম’ হিসেবে কাজ করি, তবেই সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘গ্রামের মানুষ বর্তমানে অনেক কষ্টে আছে এবং তাদের এই কষ্ট লাঘব করা কেবল আবেগ নয়, রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।’

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার ও ঘোষিত ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, এটি জনগণের সাথে সরকারের একটি ‘সামাজিক চুক্তি’।

তিনি এই চুক্তি বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।