শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

দেশে ডিজেলের মজুত দাঁড়িয়েছে ১,২৮,৯৩৯ মেট্রিক টন

দেশে ডিজেলের মজুত দাঁড়িয়েছে ১,২৮,৯৩৯ মেট্রিক টন

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত সন্তোষজনক এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। একইসঙ্গে বাজার তদারকিতে সারাদেশে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

আজ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, যা মোট জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশ।

আজ সচিবালয়ে জ্বালানি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, জ্বালানি তেলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মজুত রয়েছে ডিজেলের, যা কৃষি, পরিবহন ও শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অন্যদিকে, একই সময়ে অকটেনের মজুত দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন। ব্যক্তিগত যানবাহন ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ইঞ্জিনে ব্যবহৃত এই জ্বালানির বর্তমান চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

এছাড়া, পেট্রোলের মজুত ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন। পাশাপাশি জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন, যা বর্তমান চাহিদা পূরণে যথেষ্ট।

মনির হোসেন চৌধুরী জানান, জ্বালানি তেলের সরবরাহ প্রতিদিনই নতুন আমদানি ও খালাসের মাধ্যমে সমন্বয় করা হচ্ছে। ফলে দৈনিক সরবরাহের পাশাপাশি মজুতও নিয়মিত হালনাগাদ হচ্ছে।

সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদারে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিভাগে ১৩টি জেলায় ৪৭৯ জন এবং মহানগর এলাকায় ১১৬ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি জেলায় ৩৩০ জন এবং মহানগরে ৬২ জন, রাজশাহীতে ৮টি জেলায় ৩৪০ জন এবং খুলনায় ১০টি জেলায় ৩০১ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগেও একইভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব ট্যাগ অফিসার মাঠপর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করবেন, ফলে ব্যবস্থাপনায় আরো স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে।

তিনি আরো জানান, জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকাতেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো বড় ধরনের সংকট বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়নি। নিকট ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না এবং এপ্রিল মাসেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

সরকার জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরো শক্তিশালী করতে খুব শিগগিরই একটি ডিজিটাল অ্যাপ চালু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।