শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
ঢাকার ৫ বড় হাসপাতালে আসছে পিপিপি চিকিৎসাসেবা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় আসছে দুটি মনোরেল, ২০৩০ সালের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার কারিনাকে ‘সেরা সৎমা’ বললেন ইব্রাহিম, বাবাকে জানালেন জীবনের আদর্শ আমির হামজাকে নিয়ে তারেকের এক প্রশ্ন, ফেসবুকে শুরু আলোচনা বিয়ের সাজে পারশা, বরকে আড়ালে রাখার কারণ জানালেন যেভাবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ, তবু একই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড রোহিত-কোহলির! নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আইজেনকোট, সরকার গঠনের দায়িত্ব কার? নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, তারেক রহমানের র‌্যালিতে জনসমাগম তিশা-অথৈর সদস্যপদ স্থগিত, সমঝোতার প্রস্তাবেও আসেনি সাড়া অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না, ভাত-খিচুড়িতে মিশছে বিষাক্ত সিসা!

স্বয়ংক্রিয় অডিটের জন্য ৬০০ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করল এনবিআর

স্বয়ংক্রিয় অডিটের জন্য ৬০০ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করল এনবিআর

সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

আজ বৃহস্পতিবার এনবিআর-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ সফলভাবে চালু করা হয়েছে। এই মডিউলে ২০টি

ঝুঁকি সূচক (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) নির্ধারণ করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

এতে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত ওয়েটেজ বা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বাছাই করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ফলে অডিট নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে, যা করদাতা ও সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

এনবিআর জানায়, এই পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অডিট শেষে প্রত্যাশিত ফল না এলে রিস্ক ক্রাইটেরিয়া ও ব্যবহৃত ওয়েটেজ পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

নতুন এই ব্যবস্থায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০৫টি উৎপাদনকারী, ৯৮টি সেবাদানকারী, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এনবিআর আশা করছে, স্বয়ংক্রিয় এ পদ্ধতি চালুর ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে। একই সঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধও জোরদার হবে।