বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
পদ্মা ও যমুনায় দ্বিতীয় সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবিত থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না বলে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কঠোর হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন, জবাবদিহি করতে হবে শিক্ষকদের আইফোন ডুয়ের সরবরাহ সংকট কবে কাটবে, অনিশ্চিত অ্যাপল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের প্রকৌশলী নজরুলের অনৈতিক প্রশ্রয়ে সরকারি মেগা প্রকল্পে যুবলীগ নেতার দৌরাত্ম্য! ২০২৭ সালে জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

মাদারীপুরে শহিদ মিনারে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

মাদারীপুরে শহিদ মিনারে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

মাদারীপুরের রাজৈরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শহিদ মিনারে  ফুল দেওয়া নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। 

মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিটের পরে উপজেলা চত্বরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। 

সংশ্লিষ্টরা জানায়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দি আহমেদ মোল্লার অনুসারী রাজৈর উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান মুকিম তার সঙ্গীদের নিয়ে শহিদ মিনারের বেদীতে ফুল দিতে উঠে । একই সময় শাজাহান খান এমপির অনুসারী পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলামও তার সঙ্গীদের  নিয়ে ফুল দিতে শহিদ মিনারের বেদীতে ওঠেন। এ সময় জাহিদ হাসান মুকিমের সঙ্গে রবিউল মোল্লার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় উপস্থিত পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

শাজাহান খান এমপি অনুসারী পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল মোল্লা জানান, আমরা আগে শহিদ মিনারে ফুল দিতে উঠলে জাহিদ হাসান মুকিম ও তার সঙ্গীরা বাধা সৃষ্টি করলে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দি আহমেদ মোল্লার অনুসারী রাজৈর উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান মুকিম জানান, শাজাহান খান এমপির অনুসারীর কিছু লোকজন আমাদের ফুল দিতে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়।

রাজৈর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানান, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্কবিতর্ক সৃষ্টি হলে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।