বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সিউলে বিএনপি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে শিল্পাঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ২৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ৭ নভেম্বর সরকারের ব্যাপক আয়োজন জ্বালানি অনুসন্ধানে ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ চাইল বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষায় নজরদারি নীতিমালা ও কারিকুলাম পরিমার্জনের উদ্যোগ: ববি হাজ্জাজ তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা, পাঁচ খাতে প্রবৃদ্ধি ১২-২৭ শতাংশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও কমনওয়েলথের বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার অনুরোধ ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধা

বরিশালে ১০ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

বরিশালে ১০ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১২টি নদীর মধ্যে ১০টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বরিশাল নগরীসহ অন্যান্য জেলা ও উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য জানিয়েছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের জলানুসন্ধান বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম।তিনি বলেন, বিভাগের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিকে বন্যা বলা যাবে না। এটি মৌসুমি পানি প্রবাহ।

এই কর্মকর্তা বলেন, বরিশাল জেলার কীর্তনখোলা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার, ঝালকাঠিতে বিষখালী নদী বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা পয়েন্টে বিষখালী নদী ২৪ সেন্টিমিটার, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলা পয়েন্টে মেঘনা নদী ৮৯ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিন উপজেলা পয়েন্টে মেঘনা ১ দশমিক ৭ সেন্টিমিটার, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা পয়েন্টে পায়রা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদর উপজেলা পয়েন্টে বিষখালী নদী ২১ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটা উপজেলা পয়েন্টে বিষখালী নদী ৭ সেন্টিমিটার, পিরোজপুর জেলার বলেশ্বর নদী ১৫ সেন্টিমিটার ও উমেদপুর পয়েন্টে কচা নদী বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা পয়েন্টে পায়রা ও ভোলা খেয়াঘাট এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী, মেহেন্দীগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, দুমকি, মির্জাগঞ্জ, গলাচিপা, বাউফল, বরগুনা জেলার সদর, পাথরঘাটা, বেতাগী, আমতলী, তালতলী, ভোলা জেলার সবগুলো উপজেলা, পিরোজপুর জেলার সদর, মঠবাড়িয়া, নেছারাবাদ, কাউখালী, নাজিরপুর, ঝালকাঠি সদর, নলছিটিসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার বৃহদাংশ ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় অনেকের বসত-ঘরে পানি ঢুকে গেছে। এতে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা।

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার আন্ধারমানিক নদী তীরবর্তী বাসিন্দা আরশাদ আলী বলেন, মঙ্গলবার থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আমরা যারা বেড়িবাঁধের বাইরে থাকি তাদের ঘরে পানি ঢুকে গেছে। এজন্য বাধের কূলে এক ঘরে আশ্রয় নিয়েছি। পানি কমলে ঘরে ফিরবো।