বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
গুলশান-ধানমণ্ডি-নিকেতন লেক রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্যান্সার হাসপাতালে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ২০০ শয্যা নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে এজেন্টের ব্যাংক হিসাবও উল্লেখ বাধ্যতামূলক ১১ দলের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ রাখতে বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান গোলাম পরওয়ারের বাংলাদেশিদের যাতায়াতে ঢাকা-মালদ্বীপ রুটে সপ্তাহে ৭ ফ্লাইট ভর্তুকির পণ্য বিতরণে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বাড়াতে ডিজিটাল হচ্ছে টিসিবি গেজেট জারির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, অপেক্ষায় নবম পে স্কেল আগামী ৬ জুনের আগে ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ৪ দিন ধরে বন্ধ, আসেননি ভারতীয় প্রকৌশলীরা মক্কা নগরীতে ড্রোন হামলার খবরে বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি মামলায় খালাস

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি মামলায় খালাস

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক রাষ্ট্রীয় তহবিল ওয়ান এমডিবি’র অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার সংক্রান্ত মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। মামলার আরো এক আসামী সে দেশের অর্থমন্ত্রী জেনারেল ইরওয়ান সেরিগার আবদুল্লাহকেও আজ আদালত অব্যাহতি দিয়েছেন। 

‘টাইমস অব মালয়েশিয়া’ এই খবর জানিয়েছে।

ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ বা ‘এমডিবি’ নামে পরিচিত এই রাষ্ট্রীয় তহবিলটি ২০০৯ সালে গঠিত হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক এই তহবিলটি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। 

কিন্তু ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের ৪ শ’ ৫০ কোটি ডলার খোয়া যায়। নাজিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যাহার এবং বয়েকজন প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার যোগসাজশে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন।

২০১৮ সালে নাজিবকে প্রধান আসামী করে নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের হয়। ২০২০ সালে নিম্ন আদালত মামলার রায় দেন। রায়ে নাজিবকে ১২ বছরের কারাদন্ড এবং ৪শ’ ৪৭ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। অপর আসামী ইরওয়ানকেও একই দন্ডে দন্ডিত করা হয়। নিম্ন আদালতের মামলার রায় উচ্চ আদালত এবং সুপ্রিম কোর্টও বহাল রাখেন। 
পরে, শেষ চেষ্ঠা হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজার কাছে দুই জনই ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন করেন। রাজার নেতৃত্বাধীন উচ্চ পর্যায়ের যে পরিষদ আছে সেখানে দেশের এটর্নি জেনারেল এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা থাকেন । তারা মূলত রাজাকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 

এই পরিষদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। নাজিবের আইনজীবীরাও এই ব্যাপারে খোলামেলা কিছু বলেননি, তবে ধারনা করা হচ্ছে রাজার হস্তক্ষেপেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।