সোমবার, মে ১১, ২০২৬
 শিরোনাম
জনগণের বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী আধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠনে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী নৌপথ সচল রাখায় ১৬ সংস্থা কাজ করছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে হাসপাতালে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক ও তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন কলেজ শিক্ষার্থী ওয়াকিমুলের উদ্ভাবিত স্মার্ট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী জিপিএ-৫-এর বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের দক্ষ করে তোলার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে শিল্পকারখানা চালু রাখা জরুরি: বাণিজ্যমন্ত্রী মেধা বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জরুরি: ভূমিমন্ত্রী

মাদকের অবৈধ পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

মাদকের অবৈধ পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে জানানো হয়, শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার রোধে উভয় দেশ প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা দেবে। এছাড়া মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং পাচারের নতুন কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে।

চুক্তির আওতায় মাদক পাচারকারী ব্যক্তি ও সংগঠন (ডিটিওএস) এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কেও নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে। মাদক পাচার প্রতিরোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। লুকানো মাদক শনাক্তে প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও বিনিময় করা হবে।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

আদান-প্রদান করা সব তথ্য ও নথিপত্র কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে প্রকাশ করা হবে না।

চুক্তিটি সইয়ের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে।