শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাক খাতে ক্ষতির আশঙ্কা দেড় হাজার কোটি টাকা কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম কী হলো? চিকিৎসার কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে ১২ জনের হামলা, গ্রেফতার দুই অভিনয়শিল্পী নেতানিয়াহুকে সরাতে ৬৭ এমপির সমর্থন, ইসরাইলে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস ২০২৯ সালে বন্ধ হচ্ছে টু-জি, অচল হয়ে যাবে ৬ কোটির বেশি বাটন ফোন? বাড্ডায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভাঙল, কেটে দেওয়া হলো পায়ের রগ যুদ্ধবিরতিতে ৬ লাখ কোটি টাকা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় হুতিরা বইয়ের স্বপ্ন নিয়ে গড়া উদ্যোগ, ২৬ বছরেই ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অরূপের ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, বললেন ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’

কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে শিল্পকারখানা চালু রাখা জরুরি: বাণিজ্যমন্ত্রী

কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে শিল্পকারখানা চালু রাখা জরুরি: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের কাছে প্রতিটি শিল্পকারখানা কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং আবেগ ও জীবিকার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আজ পঞ্চগড় সুগার মিলস লিমিটেড পরিদর্শন এবং আখচাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘একটি মিল সচল থাকলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ে, স্থানীয় অর্থনীতি সচল হয় এবং প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান ঋণ পরিশোধের পথ তৈরি হয়। তাই আমরা চাই এসব প্রতিষ্ঠান আবার উৎপাদনে ফিরুক।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু এই চিনিকল নয়, দেশের সব বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করাই সরকারের লক্ষ্য।’ তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ৬টি বন্ধ রয়েছে এবং আরো বেশ কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে পঞ্চগড় চিনিকলের অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সম্ভাব্য সবদিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন, মিলের কর্মকর্তাবৃন্দ, আখচাষি প্রতিনিধি ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।