শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
 শিরোনাম
বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ডেঙ্গুতে দৈনিক মৃত্যুর নতুন রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার মদিনার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের দেশের ৬৪ জেলায় সরকারি আইনগত সহায়তা পেয়েছেন ১৩ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ১০৩টি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক ও নির্ধারিত দাম নিশ্চিতের তাগিদ চিফ হুইপের নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনায় ৪১ কোটি টাকা চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ভ্যাট রিটার্ন জমার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে অধ্যাদেশ জারি দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসা মানুষের ভূমিকা অপরিসীম: প্রধানমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে ৯ নভেম্বর

ভ্যাট রিটার্ন জমার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

ভ্যাট রিটার্ন জমার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

নতুন বিধান অনুযায়ী, সাধারণ নিবন্ধিত, তালিকাভুক্ত, নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তিকে কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে পারবে।

গত ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ প্রকাশ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৩ অক্টোবর অধ্যাদেশটি জারি করেন। এতে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৬৪ ধারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

নতুন বিধান অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত ১৫তম দিনে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে তা জমা দেওয়া যাবে।

এ ছাড়া জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদেশের মাধ্যমে সুদ ও জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াতে পারবে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, মূসক রিটার্নে সম্পূরক শুল্ক পরিশোধের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, এনবিআর আদেশের মাধ্যমে কোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির জন্য ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করতে পারবে।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ অধিবেশনে না থাকায় এবং জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের ১ উপ-অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এটি জারি করেছেন।