গাজা উপত্যকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হতাহত হয়েছেন লক্ষাধিক নিরস্ত্র ও নিরীহ ফিলিস্তিনি। যার বেশিরভাগই শিশু ও নারী। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছে আরও ৭ হাজারের বেশি।
২৩ লাখ বাসিন্দার ১৯ লাখই এখন উদ্বাস্তু। খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছেন তারা। ক্ষুধা ও দর্ভিক্ষ জেঁকে বসেছে। লক্ষ লক্ষ ফিলিঅনাহারে ধুকে ধুকে মরছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও ইসরাইলকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা।
গণহত্যা থামাতে বিশ্বের সব প্রান্তেই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন কোটি কোটি সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আর ঘাতক ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন তারা। এসব মানুষের সাথে সাথে যোগ দিয়েছেন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।
গাজায় ইসরাইলের অভিযানের প্রতিবাদে ইসরাইলের প্রধান মিত্র ও পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সেই শুরু থেকেই চলছিল। তবে সম্প্রতি তা আরও ব্যাপক রূপ নিয়েছে।
ক্রমবর্ধমান এই বিক্ষোভ সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্মকর্তারা রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন। যে কারণে বিক্ষোভ দমনের নামে ধড়পাকড় এখন চালানো হচ্ছে। তবে যত দিন যাচ্ছে, বিক্ষোভ তত ছড়িয়ে পড়ছে।
কলম্বিয়া ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন নতুন ক্যাম্পাসে তাবু গেড়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
