বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৫, ২০২৬
 শিরোনাম
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ বিকেলে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে বসছে বৃহস্পতিবার দেশের উত্তর এবং পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করল বিএনপির প্রতিনিধিদল সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে পরিপত্র চূড়ান্ত করছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া শান্তকে উপহার দিলেন তারেক রহমান মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা: নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে পঞ্চম দিনের আপিল শুনানি ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ায় ২২ জনের প্রাণহানি থাইল্যান্ডে, আহত ৩০ পঞ্চগড়ে আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

ফ্রান্সে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। একইসঙ্গে দেশটিতে আগাম নির্বাচনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। সদ্য সমাপ্ত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরেই হঠাৎ সংসদীয় নির্বাচনের এই ঘোষণা দেওয়া হলো।

সোমবার (১০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইইউ নির্বাচনে নিজের মধ্যপন্থি জোটকে অতি-ডানপন্থিরা পরাজিত করার পরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ রোববার পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি আগাম আইনসভা নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছেন।

হঠাৎ এই ধরনের সংসদীয় নির্বাচনকে স্ন্যাপ লেজিসলেটিভ ইলেকশন বলা হয়। জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, আগামী ৩০ জুন ফ্রান্সে প্রথম দফায় সংসদের নিম্নকক্ষের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ৭ জুলাই।

সংবাদমাধ্যম বলছে, সদ্য সমাপ্ত ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নির্বাচনে খারাপ ফলের কারণেই হঠাৎ করে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা করা হয়েছে। ইইউয়ের ওই নির্বাচনে ন্যাশনাল র‌্যালি থেকে শুরু করে কট্টর ডানপন্থি দলগুলো প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

এই কথা কার্যত স্বীকারও করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, ‘যারা ইউরোপকে রক্ষায় কাজ করতে চায়, সেই সমস্ত দলের জন্য এটা মোটেও ভালো ফলাফল নয়। অতি ডানপন্থি দলগুলো... মহাদেশের সর্বত্রই ভালো করছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে।’

তার ভাষায়, ‘এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে আমি নিজেও পদত্যাগ করতে পারছি না। আমি আপনাদেরই (জনগণ) বেছে নেওয়ার অধিকার দিতে চাই। তাই আজ রাতে পার্লামেন্ট ভেঙে দিচ্ছি।’

ফরাসি এই প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠোর সিদ্ধান্ত। কিন্তু একইসঙ্গে এটা আত্মবিশ্বাসের পদক্ষেপও। আমার আপনাদের ওপরে আস্থা রয়েছে। ফ্রান্সের জনগণ নিজের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেরাটাই বেছে নেবেন।’