শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
শ্রমিক আন্দোলনে পোশাক খাতে ক্ষতির আশঙ্কা দেড় হাজার কোটি টাকা কোস্ট গার্ডের ৫ জাহাজের নাম পরিবর্তন, নতুন নাম কী হলো? চিকিৎসার কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে ১২ জনের হামলা, গ্রেফতার দুই অভিনয়শিল্পী নেতানিয়াহুকে সরাতে ৬৭ এমপির সমর্থন, ইসরাইলে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস ২০২৯ সালে বন্ধ হচ্ছে টু-জি, অচল হয়ে যাবে ৬ কোটির বেশি বাটন ফোন? বাড্ডায় বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ সদস্যের হাত-পা ভাঙল, কেটে দেওয়া হলো পায়ের রগ যুদ্ধবিরতিতে ৬ লাখ কোটি টাকা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় হুতিরা বইয়ের স্বপ্ন নিয়ে গড়া উদ্যোগ, ২৬ বছরেই ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অরূপের ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি, বললেন ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’

সন্দেহজনক লেনদেন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলা ববির বিরুদ্ধে

সন্দেহজনক লেনদেন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলা ববির বিরুদ্ধে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহেনার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং প্রায় ১২ কোটি টাকার সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আজ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান।

এজাহার থেকে জানা যায়, তার বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও ২ কোটি ৮৯ লাখ ৩ হাজার ৩৫৫ টাকা মূল্যমানের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি তার নামে ৩৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকার স্থাবর এবং ২ কোটি ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৬০৫ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য প্রদান করেন। তার তিনটি ব্যাংক হিসাবে মোট ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আসামির কোনো বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল না এবং তার আয়কর নথিতে প্রদর্শিত আয় ও পারিবারিক ব্যয় বিবেচনায় বৈধ আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অথচ তিনি ৪ কোটি ৬৫ লাখ ২৬ হাজার টাকার সম্পদ ও ব্যয় করেছেন, যা তার বৈধ আয়ের তুলনায় প্রায় ৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত।

এজাহারে বলা হয়েছে, আসামির প্রদর্শিত ব্যবসার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব বা বৈধ উৎস না থাকায় এটি জ্ঞাত আয়ের বাইরে অর্জিত অবৈধ সম্পদ হিসেবে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। একইসঙ্গে উক্ত অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা, উত্তোলন ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন।