রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬
 শিরোনাম
রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আবাসিক এলাকায় হর্নে নিষেধাজ্ঞা সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগে পিআইডির ভূমিকা অপরিহার্য: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নদীভাঙন পরিস্থিতি দেখতে কুড়িগ্রাম পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রিয়াদ এয়ারের দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু ঢাকা-রিয়াদ রুটে তিনজনকে রিকশা উপহার প্রধানমন্ত্রীর, তালিকায় জুলাই যোদ্ধাও বগুড়ায় ৪০০ একরের শিল্পপার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে: রিজভী জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুতদারি বরদাশত করা হবে না: আইনমন্ত্রী ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল গণঅভ্যুত্থান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে’ বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ একথা বলেন। 

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআই’র কমপ্লেক্সের ভিতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দি করে রেখে তাদের উপর অত্যাচার এবং নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তীতে আয়নাগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে অমানবিকভাবে বন্দিদেরকে ধরে এনে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে। 

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোন একটি কামরায় আনা হয়েছে। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে (সে তথ্য) পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে। 

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো বাংলাদেশে যাতে আর কোন টিএফআই সেল অথবা জেআইসি বা তথাকথিত আয়নাঘর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। দেশের কোন নাগরিক যদি কোন অপরাধ করে থাকে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোন কিলিং এর শিকার যাতে কোন নাগরিক না হয়। কেউ যাতে কোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানীর শিকার না হয়। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হয়। 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের কিছু অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠ করেছিল। 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান ও নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিন– এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।