রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬
 শিরোনাম
রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আবাসিক এলাকায় হর্নে নিষেধাজ্ঞা সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগে পিআইডির ভূমিকা অপরিহার্য: তথ্য প্রতিমন্ত্রী নদীভাঙন পরিস্থিতি দেখতে কুড়িগ্রাম পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রিয়াদ এয়ারের দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু ঢাকা-রিয়াদ রুটে তিনজনকে রিকশা উপহার প্রধানমন্ত্রীর, তালিকায় জুলাই যোদ্ধাও বগুড়ায় ৪০০ একরের শিল্পপার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে: রিজভী জেআইসিতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুতদারি বরদাশত করা হবে না: আইনমন্ত্রী ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল গণঅভ্যুত্থান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আবাসিক এলাকায় হর্নে নিষেধাজ্ঞা

রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আবাসিক এলাকায় হর্নে নিষেধাজ্ঞা

মানবস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্ধারিত শব্দমাত্রা মেনে চলতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এ গণবিজ্ঞপ্তি গত বৃহষ্পতিবার (৪ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়।

এতে এলাকা ভিত্তিক শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা নির্ধারণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরব এলাকায় সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ ৭৫ ডেসিবল নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এসব সীমা অতিক্রম করে কোনো ধরনের উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করা যাবে না।

বিধিমালা অনুযায়ী, উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী কোনো যন্ত্রপাতি বা কর্মকাণ্ড নির্ধারিত শব্দমাত্রার বাইরে পরিচালনা করা নিষিদ্ধ।

এছাড়া সরকারি অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্লেসে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। 

অনুমতি দেওয়া হলেও শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৯০ ডেসিবলের মধ্যে রাখতে হবে এবং তা পাঁচ ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা যাবে না। 

রাত ১১টার পর এসব যন্ত্র ব্যবহারের অনুমতি থাকবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত সীমার বেশি শব্দ উৎপন্নকারী হর্ন প্রস্তুত, আমদানি, মজুদ, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নিরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। 

এসব এলাকায় পটকা, আতশবাজি বা অন্য কোনো উপায়ে শব্দদূষণ করাও যাবে না।

আবাসিক এলাকায় শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

বনাঞ্চলে বনভোজন আয়োজন এবং উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র ব্যবহারের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

নির্মাণকাজের ক্ষেত্রেও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা পরিচালনা করা যাবে না।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শব্দদূষণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তার ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে শব্দদূষণ প্রত্যক্ষ করলে বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জনসাধারণকে শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হয়ে নতুন বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।