শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সালের নতুন শিক্ষাক্রমে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দায়িত্ব জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) দেওয়া হয়েছে। এতে পাঠদান ও শিখন উপকরণ বিজ্ঞানসম্মত, সহজবোধ্য ও বয়সোপযোগী করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ভেদে শিখন ঘণ্টার বৈষম্য দূর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীরা যেন খেলতে খেলতে আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনা করতে পারে, সে ধরনের পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল কনটেন্ট, ব্যবহারিক শিখন, গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
